কালের ফাটল
দারচেন, কৈলাশ। তিব্বত। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নেবে পারলিকা আর শিখা তাদের প্রথম হিমালয়ের দর্শন পেল। দার্জিলিং থেকে অবশ্য কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখেছে কিন্তু এই যাত্রায় এই প্রথম। “ওই দেখ পারো দি । বরফে ঢাকা পাহাড়।” “এই তো সবে শুরু রে। এখন তো পাহাড় আর পাহাড় দেখবো।” “এটা কি এভারেস্ট?” “মনে হয় না। কাঠমান্ডু থেকে এভারেস্ট কাছেই হলেও, সোজাসুজি দেখা যায়না। ওটা গনেশ হিমাল হতে পারে।” শিখা আর পারো -- পারোলিকা মুখার্জি -- দুজনেই জেমিনি কনসাল্টিং কোম্পানিতে কাজ করে। পারো ফরেনসিক একাউন্টেন্ট, টাকা পয়সার কারচুপি ধরার কথা কিন্তু সব ব্যাপারেই তার ডাক। চল্লিশ পেরিয়ে গেছে, শরীরে একটু মেদ জমেছে কিন্তু লম্বা চেহারা বলে বোঝা যায়না। শিখা মান্ডি বয়েসে ছোট। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, কিন্তু কলেজে এন সি সি করে আর কারাটে, মার্শাল আর্টস শিখে তার দুর্ধর্ষ বডি। সে পারোর সঙ্গে ফিল্ড ওয়ার্ক করে। ওদের 'ত্রুটি'তে, তৃতীয় আর একজন আছে, কল্যাণ রায়, ক্রয়, যে তুখোড় কম্পিউটার হ্যাকার, কিন্তু তার বেজায় ল্যাদ, বাড়ি থেকেই কাজ করে। বেরোতে চায় না। পারো আর শিখা দুজনেই জিন্স আর কলার ওয়ালা টি-শা...